চাহিদার তুলনায় সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় দিনাজপুরের হিলিতে বেশ কিছুদিন ধরেই স্থিতিশীল রয়েছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম। গতকাল অঞ্চলটিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিটি দোকানেই দেশী পেঁয়াজ ও রসুনের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে।
হিলিতে বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৪৮ টাকা কেজি দরে, ঈদের আগেও যা ছিল ৪৮-৫০ টাকা। এ বাজারে ঈদের আগে ১৩০-১৬০ টাকা কেজি দরে রসুন বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৮০-১২০ টাকায় নেমে এসেছে।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ ও রসুন বিক্রেতা আবুল হাসনাত বলেন, ‘ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকলেও বেশ কিছুদিন ধরেই দেশী পেঁয়াজ দিয়েই ক্রেতাদের চাহিদা মেটানো হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ভালো থাকায় স্থিতিশীল আছে মসলাপণ্যগুলোর দাম।’
তিনি জানান, পাবনা-মেহেরপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ আবাদ হয়েছে। এছাড়া প্রশাসনের নজরদারিও দাম স্থিতিশীল থাকার অন্যতম কারণ। মোকামে প্রতি মণ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকায়।
তিনি আরো বলেন, ‘হিলির বাজারে সম্প্রতি নাটোরসহ অন্যান্য এলাকার রসুনের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। বর্তমানে মোকামগুলো প্রতি মণ রসুন ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।’